Recent Posts

Pages: 1 [2] 3 4 ... 10
11
9th Batch / Saiful Islam S/O Md. Abul kalam
« Last post by Rubel on October 30, 2018, 12:22:23 AM »
Student level Honors, subject History, Jahangirnagar University
12
9th Batch / Fazla Rabbi S/O Shaidur rahman
« Last post by Rubel on October 30, 2018, 12:20:40 AM »
student level Honors, Shajalal University of Science
13
9th Batch / Md. Sakil Majumder S/O Late Md. Sahadat Majumder
« Last post by Rubel on October 30, 2018, 12:19:11 AM »
Students level HSC, science group, Daffodil International College
14
9th Batch / Md. Jobayer Ahmed S/O Abu Sayed
« Last post by Rubel on October 30, 2018, 12:16:43 AM »
Students level Honors  , jaganath University
15



আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি বাবা-মা'র সংস্পর্শে থেকে আমরা কতোটা ভাগ্যবান? হয়তো সেইভাবে কেউ কখনো ভাবি নি! একবার ভেবে দেখে অনুধাবন করতে পারেন আসলেই কতোটা ভাগ্যবান আমরা। ফ্রেমে যাদের দেখছেন তাদের অধিকাংশই এইদিক দিয়ে আমাদের মতো ভাগ্যবান না! কোন না কোন কারণে তারা তাদের বাবা-মা থেকে বেশ দূরে। তাদের স্থান আজ দেশের কোন না কোন শেল্টার হোমে। তাদের মাথার উপর বাবা-মা'র আদর, ভালবাসা, সোহাগ এক কথায় বাবা-মা নামক ছাদটা নেই। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! তাই না? তারপরও সবাই নিজের চেষ্টায় পড়াশুনা চালিয়ে যাচ্ছে, নিজে কিছু করার চেষ্টা করছে। Daffodil Institute of Social Sciences (DISS) তাদের পথ চলাকে কিছুটা মসৃণ করতে তাদের পাশে থেকে কিছু করতে চায়। সেই লক্ষ্যে তাদের জন্য বিনামূল্যে বিভিন্ন প্রফেশনাল ট্রেইনিং এবং কর্মশালার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। শুধু ট্রেইনিং এবং কর্মশালাই নয় সমাজে একজন ভাল মানুষ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে গেলে যা যা দরকার তার সবকিছু করবে Daffodil Institute of Social Sciences (DISS). যাতে করে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়ে নিজেকে আলোকিত করার পাশাপাশি সমাজটাকে আলোকিত করে।

ধন্যবাদ Sabur স্যার! Daffodil Institute of Social Sciences (DISS) এর মতো যুগপোযুগী উদ্যোগ নেয়ার জন্য।


16

"একজন সাহসী মায়ের গল্প" এর প্রথম প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর আমরা "ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেস" কতৃপক্ষ গিয়েছিলাম সংগ্রামী সেই মায়ের স্পেশাল স্কুল পরিদর্শনে। যে স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা সবাই অটিজমে আক্রান্ত (স্পেশাল চাইল্ড)। সেখানে প্রত্যেকের সাইকোগ্রাফিক প্রোফাইল তৈরি এবং বিশেষ দক্ষতা যাচাই করে তাদের শিক্ষা এবং অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।  স্কুলের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। অদম্য স্পৃহা একজন মানুষকে সফল মানুষ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে সহযোগিতা করে। সেই সাথে ড্যাফোডিল পরিবারের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সবুর খান স্যারের একান্ত সহযোগিতামূলক মনোভাব, আরো একজন সংগ্রামী মানুষকে ঘুরে দাঁড়ানোর পথ বাতলে দিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমাদের সার্বিক সহযোগিতার প্রয়াস তখনই পূর্নতা পাবে, যখন আমরা দেখবো "ট্রিপল স্টার স্পেশাল স্কুল" পরিপূর্নভাবে এর যাবতীয় কার্যক্রম শুরু করেছে এবং একই সাথে সেই সংগ্রামী সেই "মা" একজন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন।

প্রতিটি মানুষের রয়েছে কোন না কোন বিশেষ দক্ষতা।কেবল প্রয়োজন সহযোগিতার হাত। যে হাতগুলো প্রসারিত করলে শক্তি ও মনের সাহস বেড়ে হয়ে যায় দ্বিগুন। সেই দ্বিগুন শক্তি এবং সাহস নিয়ে এগিয়ে যাক এই স্কুলটি। স্বপ্ন সত্যি হউক একজন মায়ের। তাহলেই আমাদের ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা সফল হবে।

পরবর্তী প্রতিবেদনে স্পেশাল স্কুলের সমস্ত কার্যক্রম তুলে ধরার প্রয়াস রইলো আমাদের।
17
Case Study / একজন সাহসী মায়ের গল্প
« Last post by Farhana Haque on August 29, 2018, 02:24:00 AM »
একজন সাহসী মায়ের গল্প

নামঃ ফারজানা নাজনীন ঝর্ণা
বয়সঃ ৩৮ বছর
পেশাঃ গৃহিনী



"নাজনীন" একজন অপরাজেয় সাহসী 'মা'। পৃথিবীর সকল মায়েরাই অপরাজেয়। অদম্য। তবুও কারো কারো সংগ্রাম চোখে পড়ার মত। বিয়ের পর প্রথম সন্তানের জন্য অপেক্ষা প্রতিটা দম্পতির কাছে অধীর আগ্রহের এবং অসীম ধৈর্যের বিষয়। নাজনীন-কামরুল দম্পতির প্রথম সন্তান পৃথিবীতে যখন এলো ঠিক তখনো তাদের জানা নেই, নিয়তি কতটা নির্মম রুপ ধারন করে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সন্তান জন্মের ঠিক ছয় থেকে সাত মাস পরেও যখন আরো দশজন বাচ্চার মত তাদের প্রথম বাচ্চাটি স্বাভাবিক আচরন করছিলো না, তখন মায়ের মনে এক আশংকার জন্ম নেয়। ডাক্তার দেখিয়ে উনারা নিশ্চিত হন যে তাদের প্রথম বাচ্চাটি "স্পেশাল চাইল্ড" অটিজমে আক্রান্ত। মায়ের সংগ্রাম শুরু হয় সেখান থেকে সেদিন থেকেই। মেয়েটা বড় হতে থাকে। স্বাভাবিক আচার আচরন বলতে যা বুঝায় সেটা একজন স্পেশাল চাইল্ড বা প্রতিবন্ধী বাচ্চার কাছ থেকে পাওয়া সম্ভব  নয়। তবুও 'মা' অপেক্ষা করে থাকেন প্রতিটা সকাল, কোন না কোন একদিন মেয়েটা 'মা ডেকে ফেলবে। হয়তো তার কাছে নিজের ভাষায় কিছু আবদার করবে। জগতে এই আকুতি কাছে অন্য যে কোন আকুতি হার মানে। দিন কেটে যায় কিন্তু প্রতিক্ষার অবসান হয় না। মেয়েটার কোন স্বাভাবিকতা চোখে পড়ে না অভিবাবকদের। এভাবেই কাটে আরো সাত বছর। এই সাত বছরে নাজনীন "মা" ডাক শুনতে পান নি। অথচ তিনি পৃথিবীর সবচেয়ে সাহসী একজন মা। প্রথম বাচ্চা জন্মের ঠিক সাত বছর পর নাজনীন আবার সন্তানসম্ভবা হন। জানতে পারেন, জমজ কন্যার জন্ম দিতে যাচ্ছেন। একদিকে খুশি, আর অন্য দিকে ভয় তাকে ঘিরেই থাকে। সৃষ্টিকর্তার কাছে তার একটাই চাওয়া তখন, যেন তিনি সুস্থবাচ্চার জন্ম দিতে পারেন। যথাসময়ে ফুটফুটে দুটো মেয়ের জন্ম হলো। স্বাভাবিক, সুন্দর, পবিত্র মুখ। বাচ্চারা ফেরেশতাতুল্য। প্রথম বাচ্চাটির মুখ থেকে 'মা' ডাক শুনতে না পারার যে কষ্ট সেটা হয়তো কখনো পুরোপুরি দমে যাবে না, কিন্তু নতুন আশা উঁকি দেয়। এই দুই শিশুর মুখে তো "মা", ডাক শোনা হবে, যদি সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা হয়। সব সহজ স্বাভাবিক চলতে থাকে। দু' তিন বার ডাক্তারের কাছে বাচ্চাদের রুটিন চেক-আপের জন্য নেওয়া হয়। ডাক্তার বলেন সব ঠিকই আছে এবং বাচ্চাগুলো স্বাভাবিক। ভয়ের কারন নেই। এই দুজন শিশুর আগের বাচ্চাটির মত স্পেশাল চাইল্ড হবার সম্ভাবনা নেই। এর ঠিক মাস তিনেক পর নাজনীন দম্পতির সন্দেহ হতে থাকে। বাচ্চারা স্বাভাবিক নয় বলে তাদের  মনে হতে থাকে। জন্মের এক বছর পরও বাচ্চারা সামান্য শব্দ বাদে অন্য কোন বিশেষ শব্দই ব্যবহার করছে না এবং যেহেতু এ বিষয়ে উনাদের পূর্বাভিজ্ঞতা রয়েছে তা থেকে উনি আবারও ডাক্তারের শরণাপন্ন হলেন। পরীক্ষা নিরিক্ষায় জানা গেলো,,, এই দুই জন জমজ সন্তানও আগের জনের মতই অটিস্টিক বা স্পেশাল চাইন্ড এক কথায় শারিরীক এবং মানসিক প্রতিবন্ধী। আকাশ মাথায় ভেঙে পরলে কেমন অনুভূতি হবে তা কারো জানা নেই। তাদের মনের অবস্থা তখন কেমন হয়েছিল যখন তারা আরো একটি কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হলেন, তা একমাত্র আল্লাহ্ই জানেন।

সময় গড়িয়ে যাচ্ছে।
উনার প্রথম কন্যার বয়স এখন ১৪ বছর।
নামঃ হৃদি।
পরের দুইজন জমজ কন্যার বয়স ৭ বছর,
কি সুন্দর দেখতে কি ফুটফুটে বাচ্চা গুলো।
নামঃ রথি ও হৃথি।
তিনজন সন্তানের মা হবার পরও একবারের জন্যও ''মা" ডাক শুনতে না পারার যে কষ্ট, এটা সেই মা ব্যতীত জগতের অন্য আর কারো পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। কখনোই না।
আমি নিজে গিয়ে দেখেছি, মহিলা কি পরিমান অসীম সাহসিকতায় তিন তিন জন অটিস্টিক বাচ্চার সম্পূর্ন লালন পালন করছেন। কতখানি ধৈর্য থাকলে এটা সম্ভব তা আমাদের মত সাধারনের পক্ষে উপলব্ধি করা অসম্ভব। প্রথম যেদিন আমি উনার বাসা থেকে ঘুরে এলাম, সাথে মিডিয়া ল্যাবের "মৌ" আপু। আমরা উনার এই সাহসী এবং সংগ্রামী ভূমিকার উপর একটি ছোট্ট ডকুমেন্টারি তৈরির কাজে গিয়েছিলাম। সেদিন ফেরার সময় নিজেকে খুব ই তুচ্ছ মনে হচ্ছিল, সামান্য কষ্টেই আমরা কত কাতর হয়ে যাই। অথচ এই মহিলা, জগতের সকল কষ্টই একা ধারন করে বসে আছেন।   

আমরা তার ধৈর্যের কাছে মাথা নত করি।
তার সংগ্রামকে আমরা সালাম জানাই।
তার সাহস এবং অভিজ্ঞতাকে আমরা সম্মান করি।

সৃষ্টিকর্তা কোন একদিন নিশ্চই তার মনের আকুতি শুনবেন। নাজনীন তার সন্তানদের কাছ থেকে অবশ্যই একদিন "মা" ডাক শুনতে পারবেন। তার সন্তানেরা আবদার করে একটি খেলনা হলেও দেখিয়ে বলবে এটা তাদের চাই..... আমরা সেই প্রর্থনা করি।

আশার বিষয় হচ্ছে, এমন একজন সাহসী মায়ের সাহসিকতা এবং অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে ড্যাফোডিল পরিবারের সম্মানিত চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সবুর খান স্যার মিস নাজনীনকে উনার নিজ অভিজ্ঞতার আলোকে " থ্রি স্টার স্পেশাল স্কুল" (যেখানে অটিস্টিক বাচ্চারা শিক্ষা সুবিধা সহ অন্যান্য সুবিধাপ্রাপ্ত হবে) নামে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করার যাবতীয় অর্থ সহযোগীতার আশ্বাস দিয়েছেন।
তারই ফলশ্রুতিতে গত পরশুদিন মিস নাজনীনের হাতে "ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোশ্যাল সাইন্সেসেস" এর পক্ষ থেকে তার স্কুলের দুই মাসের ভাড়া বাবদ নির্ধারিত পরিমান অর্থের চেক প্রদান করেন ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ জনাব  হামিদুল হক খান স্যার।

খুব শীঘ্রই আমরা নাজনীন ঝর্নার স্পেশাল স্কুলের সচিত্র প্রতিবেদন আপনাদের সামনে নিয়ে আসবো ইনশাআল্লাহ! আমরা আশাবাদী একজন সফল, সংগ্রামী মা একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করবে এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

(প্রতিবেদন তৈরিতেঃ  Farhana Haque)
18
Case Study / A story behind "Triple Star Special School"
« Last post by Farhana Haque on August 29, 2018, 02:17:12 AM »
A story behind "Triple Star Special School"

Name: Farjana Naznin Jhorna
Age:38
Occupation : Housewife


"Ms. Naznin" An Invincible courageous mother. I think, all the mothers are Invincibles.
indomitable. Nevertheless some body's struggle is distinctive. After marriage, every couple waits awaitly for their first issue (child) and they have to undergo with great patience. Naznin-Kamrul couple got their awaited child for the time being but they didn't know their first child would be special child, retarded one & they experienced the harsh reality. l After having birth from 6/7 months , when their child was not responding like another children, then a doubt sorrounded on her mind. Moreover her child was not behaving like usual children. Doctor ensured that their child is ' Special child' that was affected. From that time the mother's struggle has been initiated. That female child was growing up. She realised that its behaviour would be different like autistic.
Nevertheless mother waited for hearing the sweet call " mother" in a golden morning. Perhaps it wants something from her and she adored her from the core of her heart. In this application is far more applicable than anything in the world!!

Days go by but waiting still exists. There is no visible reasonable behaviour on her baby's activities. In that connection , 7 years went by. The mother Najnin didn't listen the calling " Mom" but she is the most courageous mother in the world.
After passing 7 years , Najnin became pregnant again. The most uttering thing was that she was going to breed twin baby. At one side, happy was there on the other hand, anxiety and fear  and was  filled  her mind. She prayed to Almighty that her child would be a heathy and normal one.
In right time, two twin baby were born haing usual, beautiful, decent and devine face. Then
She had a great intention to listen the "Mom" call as she was deprived from her first issue.
After doing routine check-up by the doctor, he assured Najnin as she had borne twin normal children. Nothing to worry about and there is no possibility of becoming Special child like previous one.

After passing more three months, Najnin couple had an another strong doubt that their twin children are also disabled / retarded .
Having got birth they didn't scream at all. They did a little meekly sound. As she had a prior bitter experience, so she went to doctor to consult. After diagnosis, she utterly noticed that her twin baby were also Autistic.

She was no more option to think, she imagined that nothing could act beside her.
Their mind was full of grief. They thought nothing. All were unpredictables. Only Allah knows how much agony they bore! How much pain they had! A harsh reality appeared before them.

Time went by.
Her first child name is Hridi.
Her age is 14.
Another Twin baby is 7 years old. They were extremely cute and their
name are: Rothi & Rethi
She was disappointed not to hear Mom after giving birth three children. This pain is beyond the description. Never ever.

I myself visited that place. It was stunning. How far courage and patience , she was nurshing these three children. We who lead a normal life cant just imagine.

I was wondering that time , "Mou Apu" of Lab was along with me. We went there to make a documentary on her struggling charecter for nurshing the children.

When we were returning from there, we thought ourselves as a petty one, little ,very little one. We noticed that this woman bore as if she were a light women who neglecting all happiness on her.
 
We bow down our head with deep respect observing her dedication and patience.
We salute her for her unparalleled struggle.
We salute her courage and experience.

Almighty will hear her application some day. Najnin will able to listen that sweet call MOM one-day. Her children will ask her to buy them at least a toy. We pray for the golden day.

Its a matter of hope that The Chairman of Daffodil Family Mr. Md Sabur khan Sir, came forward to assist  that woman who was struggling with extreme courage , dedication and devine patience.

Honorable Chairman of the Daffodil Family  assured her to finance and logistic support to build a special kind of School where autistic children will get adoration and proper nursing named "Triple Star Special School".

On this connection, the day before a cheque was hand over for financing home rent on behalf of Daffodil Institute of Social Sciences and this cheque was handed over to Najnin by our Honourable Treasurer Mr Hamidul Haque khan sir

Very soon we will reveal a pictorial documentary on Special School before you. We hope that along with her courage, Ms. Naznin will also emerge as a successful Entrepreneur.

(Courtesy to create report: Farhana Haque)
19
Events organised by DISS / Celebrating the happiness of Eid - 2018
« Last post by Farhana Haque on July 31, 2018, 01:26:01 AM »
Celebrating  the happiness of Eid - 2018



৩ জুন, ২০১৮ তারিখে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অডিটোরিয়াম ৭১-এ জ্ঞানের পাঠশালা স্কুলের ৪০ জন শিক্ষার্থীদের সহ মোট ১০০ জন সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মাঝে ঈদের নতুন পোষাক, ঈদের দিনের সকালের খাবার হিসেবে সেমাই, নুডুলস, দুধের প্যাকেট, মেহেদী ও ইফতার বিতরণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে ড্যাফোডিল গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ সবুর খান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম, সিএসই ডিপার্টমেন্টের হেড প্রফেসর সৈয়দ আখতার হোসাইন, সফটওয়্যার ডিপার্টমেন্টের হেড প্রফেসর তৌহিদ ভুঁইয়া সহ বেশ কয়েকটি ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি মেম্বার, আনোয়ার খান নার্সিং ইন্সটিটিউটের কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। ধন্যবাদ সকল অতিথিদের যারা ইভেন্টে উপস্থিত থেকে ইভেন্টটিকে সাফল্যমন্ডিত করেছেন।  ধন্যবাদ ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অফ সোশ্যাল সাইন্সেস এই অনুষ্ঠানটি আয়োজনে সার্বিক সহায়তা প্রদান করেছে। ইভেন্টের ভেন্যু পার্টনার হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে ও মিল্ক স্পন্সর হওয়ার জন্য আরলা ফুডকে বিশেষ ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছে প্রতিষ্ঠান টি। সর্বোপরি ধন্যবাদ ডিস এর সকল স্বেচ্ছাসেবীদের, যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই সফলভাবে ইভেন্ট আয়োজন সম্ভব হয়েছে।
20
Achievement / Smiling on someone's face is like winning the Himalayas
« Last post by Farhana Haque on July 29, 2018, 11:19:06 PM »
Smiling on someone's face is like winning the Himalayas


It was a hot day. The sun acts as a cruel aspects. It shone so brightly that we couldn't hardly bear but we had a strong feeling of love for the deprived. Sadarghat was our destination where we kept some underprivileged children in a shelter home named "OPORAJEYO BANGLA"
Avoiding there scorching, stinky  heat, I along with Three volunteers reached Sadarghat. Then we had to pass some of the curved, narrow and unknown roads to reach there. Finally, we got settled there in 6th floor. Seeing the bright and delighted faces, we were stunned and forgot how much agong and struggled we have done, "Daffodil Institute of Social Sciences"-DISS  has endevoured to touch the peak of their dream.

DISS, a benevolent organization, a first time in Bangladesh is determined to educate these underprivileged children and that why volunteers have collected these illfated children who are working as carrier of loads (Coolie) in that area and they are residing on that shelter home.


I and three volunteers were not looking each other when we delicate deliverd EID CLOTHES and so many FOODS as our eyes were full of tears of joy. Yet they got clothes Eid clothes earlier but this time it was different as it was full of love.

When these underprivileged children will be accommodated, We hope that DISS education will make them real workforce inshahAllah.

We dream for every  deprived face into a hopeful face.[/font][/size][/color]
Pages: 1 [2] 3 4 ... 10