Author Topic: "ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্স  (Read 4838 times)

0 Members and 1 Guest are viewing this topic.

Farhana Haque

  • Administrator
  • Newbie
  • *****
  • Posts: 48
  • Gender: Female
  • You will never have this day again! Make it count!
    • View Profile
    • Email
''ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সেস" এর  ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন


সুবিধাবঞ্চিত ও ছিন্নমূল শিশুদের সমন্বিত পূনর্বাস সুবিধাবঞ্চিত অসহায় নীপিড়ীত ও ছিন্নমূল শিশুদের সমন্বিত পূনর্বাসনের লক্ষ্যে ঢাকার আশুলিয়ার দত্তপাড়ায় ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সের (ডিআইএসএস) ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। ভারতের কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সস (কেআইএসএসস) ও কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব আইটির প্রতিষ্ঠাতা প্রফেসর ড. অচ্ছূত সামান্ত প্রধানঅতিথি হিসেবে এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা ড. মোঃ সবুর খান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপ-উপাচায় প্রফেসর ড. এস এম মাহাবুবুল হক মজুমদার, এমিরিটাস প্রফেসর ড. এম লুৎফর রহমান, প্রকৌশল অনুষদের ডীন ড. এস এম সামছুল আলম, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসসর ড. এ এম এম হামিদুর রহমান, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. প্রকৌশলী এ কে এম ফজলুল হক,স্থায়ী ক্যাম্পাসের ডীন প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল, এইচ আর ডি আই এর ডীন প্রফেসর ড. ফরিদ এ সোবহানীসহ ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

৫-১০ বছর বয়সের অসহায় নীপিড়ীত ও সুবিধাবঞ্চিত ছিন্নমূল শিশুদের (ছেলে এবং মেয়ে) সম্পূর্ন বিনামূল্যে সামগ্রীক সুবিধা ও উন্নত জীবন গড়ার লক্ষ্যে ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সে পূনবার্সিত করা হবে। সরকারের সমাজকল্যান ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা সমূহের সহয়োগীতার মাধ্যমে সারা দেশ থেকে এসব সুবিধাবচিত শিশুদের নির্বাচন করা হবে। এবছর জুলাই মাস থেকে ১০০ শিশুকে নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে ড্যাফোডিল ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সের কার্যক্রম শুরু হবে। পর্যায়ক্রমে ৪০০০ ( ছেলেঃ মেয়েঃঃ ৭০ঃ ৩০) শিশুর সুস্থ সুন্দর ভবিষ্যৎ নিনিমার্ণের লক্ষ্য নিয়ে এর পূনাঙ্গ কার্যক্রম চলবে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রফেসর ড. অচ্ছূত সামান্ত বলেন, মানব জন্মের স্বার্থক রুপায়ণ হচ্ছে মানব কল্যাণে কিছু করে যাওয়া। তিনি বলে, ডিআইএসএস এর কার্য়ক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহযোগীতা কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সস নিয়মিত দিয়ে যাবে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমঝোতা চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়েছে। ডিআইএসএস এর ১৫ সদস্যেও প্রতিনিধি দলও ইতোমধ্যে কলিঙ্গ ইন্সটিটিউট অব সোস্যাল সায়েন্সস পরিদর্শন করে এসেছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ড. মোঃ সবুর খান বলেন, সামাজিক দায়বদ্দতার অংশ হিসেবে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ্ইউনিভার্সিটি এ ডিআইএসএস পরিচালনা করবে, যার মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা নিয়মিত শিক্ষারমাধ্যমে মৌলিক জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি বৃত্তিমূলক ও কারিগড়ি শিক্ষার মাধ্যমে জীবন ঘনিষ্ঠ কর্মদক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং শিশুরা তাদের অধিকার, নাগরিক দায়িত্ববোধ এবং নীতি নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ বিষয়ে সচেতনতা অর্জন করবে। ফলে এসব শিশুরা দক্ষমানব সম্পদে পরিনত হয়ে দেশের দারিদ্য বিমোচনে অবদান রাখবে এবং সর্বোপরি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তা করবে।

ডিআইএসএস বিশ্বাস করে প্রতিটি সুবিধাবঞ্চিত শিশুর মাঝেই অপার সম্ভাবনা লুকায়িত আছে । তাদের যথাযথভাবে শিক্ষিত, প্রশিক্ষিত, সুপরামর্শ দিয়ে আত্মপ্রত্যয়ী করে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে পারলে এবং উদ্যোক্তা ও নেতা হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে তারা অবদান রাখতে সক্ষম হবে। ডিআইএসএস তাদের দক্ষতা, মেধা ও ইচ্ছার ভিত্তিতে ক্যারিয়ার গঠনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করবে।

ডিআইএসএস এসব শিশুদেরকে সরকারের জাতীয় শিক্ষা পাঠ্যক্রম অনুযায়ী উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষাদানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য, স্যানিটারী, নিয়মানুবর্তিতা, মানবাধিকার ও নাগরিক দায়িত্ববোধ সম্পর্কেও বিশেষায়িত শিক্ষা নিশ্চিত করবে।

প্রতিটি শিশুর মাঝেই অমিত সম্ভাবনা লুকায়িত থাকে যা পরিপূর্নভাবে প্রকাশের সুযোগ বা পরিবেশ খুব কমর্সখ্যক শিশুই পেয়ে থাকে। ডিআইএসএস এসব সম্ভবনাকে খুজেঁ বের করার লক্ষ্যে নিয়মিত মেধা অন্বেষণ করে সুপ্ত সম্ভবনাকে বিকশিত করার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
« Last Edit: July 16, 2018, 12:25:00 AM by Farhana Haque »
কারো মত নয় আমরা হবো যার যার মত। প্রতিজন "আমি" হবো এক একটি আদর্শ। জীবন একটিই। সময় অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। নিজেকে প্রমান করার এবং ভালো কাজ করার এখনই সময়।